ঢাকা — অবৈধ গুলিসহ বিদেশি পিস্তল রাখার দায়ে ইসমাইল হোসেন চৌধুরী “সম্রাট”কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এ রায় দিয়েছেন ঢাকার দ্বিতীয় বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-র বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়া মঙ্গলবার।
বিচারকার্যের বিবরণ:
আদালতের বেঞ্চ সহকারী শাহাদাত আলি জানান, সম্রাটকে পলাতক দেখিয়ে রায় ঘোষণা করা হয়।
মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে মোট ১৪ জনের, তার মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে।
রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্রাটকে অস্ত্র আইন, ১৮৭৮-এর ১৯(ক) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
মামলার পটভূমি:
২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) তাকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে গ্রেফতার করে। এরপর ঢাকা শহরে এক অভিযানের সময় কাকরাইলে তার কার্যালয় থেকে বিদেশি মদ, পিস্তল ও বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণীর চামড়া উদ্ধার করা হয়।
বন্যপ্রাণীর চামড়া রাখার দায়ে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
২০২০ সালের ৬ নভেম্বর অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
উল্লেখযোগ্য দিক:
– এটি সম্রাটের বিরুদ্ধে প্রথম রায়ে যাবজ্জীবন সাজার ঘটনা।
– আসামি এখনও গ্রেফতার হয়নি; তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।
মন্তব্য:
এই রায় রাজনৈতিক নেতা হিসেবে তার অবস্থান ও মামলার গুরুত্ব উভয় দিক থেকে আমাদের নজরে আসে। অবৈধ অস্ত্র, বন্যপ্রাণীর চামড়া ও বিদেশি মদসহ একাধিক অভিযোগ মোকাবিলা করেছে সম্রাট — বিচারিক প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়েছে বলে মনে হয়।
আওয়ামী লীগ ও রাজনৈতি-দৃষ্টিকোণ থেকে:
যুবলীগের সাবেক নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন সম্রাট; এই রায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে যেমন সতর্কতার বার্তা দিচ্ছে, তেমনই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় একটা মাইলফলক হতে পারে।
সম্ভাব্য প্রভাব:
– অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও অবৈধ ক্যাসিনো-ব্যবসার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার এক যুক্তি থাকতে পারে।
– রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর অভ্যন্তরীণ অভিযানের চাপ বাড়তে পারে।
– সাধারণ মানুষের দৃষ্টিতে রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগের
প্রতি বিশ্বাস বাড়তে পারে।