• বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
প্রধান সংবাদ
“খোষকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে দীর্ঘ ১০ বছরের জলাবদ্ধতা: দেখার কি কেউ নেই?” “উন্নয়ন, বিদ্যুৎ সংকট সমাধান নাকি নতুন দুশ্চিন্তা—বিশ্লেষণে বিশেষজ্ঞরা” “ভবনাথপুর সড়কে জলাবদ্ধতার ‘মিনি সুইমিং পুল’: কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় চরম জনদুর্ভোগ” “ধারিয়ারচর বাজারে ১৭ বছর নেই কমিটি: অব্যবস্থাপনায় চরম দুর্ভোগে ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীরা” “ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির নবগঠিত কমিটির আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত” ” বাঞ্ছারামপুরে ২.১২ কিমি খাল খনন কাজের উদ্বোধন: ‘অনিয়ম সহ্য করা হবে না’—প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি” “বাঞ্ছারামপুরে টিনের ঘরে তপ্ত পাঠদান: লোডশেডিং আর গরমে অতিষ্ঠ কোমলমতি শিশুরা” “বাঞ্ছারামপুরে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন: লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৪৯ হাজার শিশু” “বাঞ্ছারামপুরে ৬ কেজি গাঁজাসহ দুই নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার” বাঞ্ছারামপুরে শ্রীমৎ প্রসেনজিৎ আচার্য্য (বাবুল দাদা) মহাশয়ের ২য় বার্ষিক মহামিলন উৎসবের আয়োজন

“খোষকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে দীর্ঘ ১০ বছরের জলাবদ্ধতা: দেখার কি কেউ নেই?”

মোঃ আতিকুর রহমান || স্টাফ রিপোর্টার || দৈনিক প্রবাহ / ১৬ Time View
Update : বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া/বাঞ্ছারামপুর (প্রযোজ্য এলাকা): টানা আট থেকে দশ বছর ধরে সামান্য বৃষ্টিতেই তলিয়ে যায় খেলার মাঠ। বিদ্যালয়ের বারান্দা পর্যন্ত উঠে আসে পানি। এই চিত্র ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার খোষকান্দি পশ্চিম পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। দীর্ঘ এক দশকের এই চরম ভোগান্তি এখন বিদ্যালয়টির ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক এবং স্থানীয় জনসাধারণের জন্য নিত্যদিনের দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে।

শিক্ষাব্যবস্থা ও জনজীবনে স্থবিরতা

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের মূল মাঠটি হাঁটু সমান পানিতে নিমজ্জিত। জলমগ্ন মাঠের কারণে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে পারছে না। ফলে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক পাঠদান প্রক্রিয়া। শুধু তাই নয়, বিদ্যালয়ের পাশে থাকা মসজিদ এবং চলাচলের প্রধান রাস্তাও পানিতে তলিয়ে থাকায় মুসল্লি ও পথচারীদের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি

জমে থাকা এই নোংরা পানি থেকে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ এবং জন্ম নিচ্ছে মশা। এতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে চর্মরোগ, টাইফয়েড ও ডেঙ্গুর মতো পানিবাহিত ও মশাবাহিত রোগের আতঙ্ক বিরাজ করছে। কোমলমতি শিশুরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই ময়লা পানি মাড়িয়েই বিদ্যালয়ে যাচ্ছে।

অভিভাবক ও এলাকাবাসীর ক্ষোভ

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে জানান, গত ৮-১০ বছর ধরে এই সমস্যা চললেও এটি সমাধানে কোনো স্থায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তারা বলেন:

“আমাদের সন্তানরা স্কুলে যেতে ভয় পায়। বৃষ্টির দিনে মাঠ যেন পুকুর হয়ে থাকে। সরকারি কর্মকর্তাদের কাছে বারবার জানানো হলেও অদৃশ্য কারণে জলাবদ্ধতা নিরসনে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এটি স্থানীয় প্রশাসনের চরম উদাসীনতা ছাড়া আর কিছুই নয়।”

কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ

বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ এবং পরিচালনা পর্ষদ এই সংকটময় পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে উপজেলা শিক্ষা অফিসার (TEO) এবং স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। বিদ্যালয়ের মাঠটি দ্রুত ভরাট করা অথবা ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা না হলে এই অঞ্চলের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়বে।

একটি আধুনিক ডিজিটাল বাংলাদেশের গড়ার লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমন বেহাল দশা দ্রুত নিরসন করা এখন সময়ের দাবি।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি আবেদন: দয়া করে কোমলমতি শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিন।

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com