• মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
প্রধান সংবাদ
গ্যাস সিলিন্ডারের ‘মেমো উধাও’: বাঞ্ছারামপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বড় জরিমানা। রাজধানীর নয়াবাজারে যুবদল সদস্য গুলিবিদ্ধ বাঞ্ছারামপুরে পুলিশের অভিযানে ৭ জুয়াড়ি গ্রেফতার, নগদ টাকা ও তাস উদ্ধার বাঞ্ছারামপুরে দুলালরামপুর হাসু ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রথম এসএসসি ব্যাচের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত মালয়েশিয়া সিন্ডিকেট ও দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক এমপি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী গ্রেপ্তার ওসমান হাদী হত্যা মামলা: ফয়সাল ও আলমগীরকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ, জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি এনআইএকে বাঞ্ছারামপুরে ৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার | বাঞ্ছারামপুর মডেল থানা বাঞ্ছারামপুরে তীব্র জ্বালানি সংকট: ৪ বাজার ঘুরেও মিলছে না পেট্রোল-অকটেন বাঞ্ছারামপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার উপজেলা কমিটি গঠন; সভাপতি মোল্লা নাসির আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক সেলিম মিয়া স্বপ্নজয়ী এক অদম্য পথিকের গল্প: বেঞ্চ থেকে প্রধান শিক্ষকের চেয়ারে

গ্যাস সিলিন্ডারের ‘মেমো উধাও’: বাঞ্ছারামপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বড় জরিমানা।

আতিকুর রহমান || স্টাফ রিপোর্টার || দৈনিক প্রবাহ / ২৯ Time View
Update : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাঞ্ছারামপুর | ৫ এপ্রিল, ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে গড়ে ওঠা শক্তিশালী ‘১৩ সিন্ডিকেটের’ নৈরাজ্যে দিশেহারা হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে গ্যাস বিক্রি এবং বিক্রয় রসিদ (ক্যাশ মেমো) না দেওয়ার অভিযোগে এক ডিলারকে নগদ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বাঞ্ছারামপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রবিউল হাসান ভূঁইয়ার নেতৃত্বে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী অনিয়ম পাওয়ায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

  •  মামলা নম্বর: ৪৬/২০২৬
  •  জরিমানার রশিদ নম্বর: ১২৫০৪৭
  •  জরিমানার পরিমাণ: ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা।

দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার ১৩ জন ডিলার মিলে একটি সিন্ডিকেট তৈরি করে গ্যাসের বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই সিন্ডিকেটের কারণে সাধারণ ক্রেতারা সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। অভিযানে দেখা যায়, ১৮৩০-১৯০০ টাকার সিলিন্ডার ২১৮০ টাকা পর্যন্ত চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে, যা সাধারণ জনগণের পকেট কাটার শামিল।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রবিউল হাসান ভূঁইয়ার অভিযানে ব্যবসায়ীদের নানা কারসাজি ধরা পড়ে:

মেমো জালিয়াতি: ব্যবসায়ীরা কাস্টমারকে কোনো ক্যাশ মেমো দিচ্ছিলেন না। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে মেমোর মূল কপি গ্রাহককে না দিয়ে ব্যবসায়ীরা নিজেরাই নিজেদের কাছে রেখে দিচ্ছিলেন।

অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা: সঠিক ট্রেড লাইসেন্স বা যথাযথ অনুমতি ছাড়াই এক জায়গার লাইসেন্স দিয়ে অন্য জায়গায় ব্যবসা পরিচালনা করার প্রমাণ পাওয়া যায়।

পূর্ব সতর্কতা উপেক্ষা: প্রশাসন এর আগেও ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে ক্যাশ মেমো মেইনটেইন করার পরামর্শ দিলেও তারা তা মানেননি।

 

অভিযান চলাকালে ম্যাজিস্ট্রেট ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, “আপনারা ১৩ জন ডিলার একসাথে একটি সিন্ডিকেট করেন, এভাবে আসলে ব্যবসা করা যাবে না”। ব্যবসায়ী মেমো না দেওয়ার পক্ষে বিভিন্ন অজুহাত দিলেও ম্যাজিস্ট্রেট রবিউল হাসান ভূঁইয়া তা নাকচ করে দেন এবং রসিদ ছাড়া ব্যবসা করা দণ্ডনীয় অপরাধ বলে ঘোষণা করেন।

শেষ বার্তা

ভোক্তা অধিকার ক্ষুণ্ন করা এবং ক্যাশ মেমো দেখাতে না পারার অপরাধে অভিযুক্ত ব্যবসায়ীকে জরিমানার অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রবিউল হাসান ভূঁইয়া জানান , জনস্বার্থে এ ধরনের কঠোর অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে যেন কোনো সিন্ডিকেট সাধারণ মানুষকে জিম্মি করতে না পারে।

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd