নিজস্ব প্রতিবেদক | বিধাননগর, ভারত
ছাত্রনেতা ওসমান হাদী হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামি ফয়সাল ও আলমগীরকে ১৪ দিনের রিমান্ড শেষে আজ ভারতের বিধাননগর আদালতে তোলা হয়েছে। শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত আসামিদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে মামলার তদন্তের স্বার্থে জেল গেটেই তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এনআইএ-কে (ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি) অনুমতি দিয়েছেন আদালত।
আদালতের কার্যক্রম ও নির্দেশনা:
আজ কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এর আগে পুলিশি হেফাজতে তারা ১৪ দিন রিমান্ডে ছিল। তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তবে আরও নিবিড় তদন্তের প্রয়োজনে তাদের আবারও জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হতে পারে। আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরবর্তীতে আসামিদের আর পুলিশি রিমান্ডে না নিয়ে জেল গেটেই প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ সম্পন্ন করতে পারবে তদন্ত সংস্থা।
এনআইএ-র সম্পৃক্ততা:
মামলাটির গুরুত্ব ও আন্তঃসীমান্ত বা অন্য কোনো ষড়যন্ত্রের যোগসূত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। জেল গেটে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল মোটিভ এবং আর কারা এই পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত, তা বের করার চেষ্টা করা হবে বলে জানা গেছে।
মামলার প্রেক্ষাপট:
উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস আগে চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফয়সাল ও আলমগীরকে প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। দীর্ঘ তল্লাশির পর তাদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ছাত্রনেতা ওসমান হাদীর পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা শুরু থেকেই এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে আসছেন।
আদালতের আজকের আদেশের পর আসামিদের কড়া পাহারায় সংশোধনাগারে (কারাগারে) নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন এখনো ধার্য করা হয়নি।