
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীরা সম্প্রতি তীব্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগপন্থী হিসেবে পরিচিত এক ব্যক্তিকে বিএনপির রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা দেওয়ার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে।
উক্ত ব্যক্তির নাম সবুজ, পিতা মালেক মিয়া, গ্রাম কল্যাণপুর, মানিকপুর ইউনিয়ন, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাসিন্দা।
তথ্য অনুযায়ী, সবুজ অতীতে একাধিকবার আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন।
৩০ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে তিনি তার ফেসবুক প্রোফাইলে লিখেছিলেন:
“৭ তারিখ সারাদিন নৌকা মার্কায় ভোট দিন” — যা তার রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্টভাবে প্রকাশ করে।
আবার ২০ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে পোস্ট দিয়েছিলেন:
“লিডার আসছে”, যেখানে তিনি বুঝিয়েছেন তার লিডার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনের সাবেক আওয়ামী লীগ এমপি ক্যাপ্টেন এবি তাজুল ইসলাম।
এছাড়া ১৭ এপ্রিল ২০২৩ সালে ফেসবুকে তিনি পোস্ট করেন:
“আজকে বুধারকান্দি কান্দি আওয়ামী লীগ তাজুল ইসলাম ছোট তাজমিয়ার বাড়িতে তার ছেলের সুন্নতে খাতনা অনুষ্ঠানে... স্মার্ট বাঞ্ছারামপুর গড়ার লক্ষ্যে যে দুই নেতা দিনরাত পরিশ্রম করতেছে — ক্যাপ্টেন এ.বি. তাজুল ইসলাম মন্ত্রী মহোদয় এবং এই প্রজন্মের যুবসমাজের লিডার কাজীদ আল রহমান জনি ভাই।”
📌 রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এসব পোস্ট ও কর্মকাণ্ড স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে সবুজ দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের সাথে সম্পর্কিত ছিলেন এবং বিএনপির আদর্শ ও আন্দোলনের বিপরীতে অবস্থান নিয়েছিলেন।
তবুও সম্প্রতি তিনি বিভিন্ন প্রভাবশালী নেতার পরিচয়ে বিএনপির ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করছেন— যা তৃণমূল নেতাদের মধ্যে অসন্তোষ, বিভ্রান্তি ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
নেতাকর্মীরা দাবি করেছেন—
“বিএনপি শহীদের রক্তে গড়া সংগঠন। এখানে কোনো সন্ত্রাসী, কোনো হাইব্রিড, কোনো লিগ পাণ্ডার স্থান নেই।”
তারা উপজেলা বিএনপির হাই কমান্ডের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যেন এমন ব্যক্তিদের দলে স্থান না দেওয়া হয় যারা অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেছে বা বিএনপির আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
https://thedailyprabaha.com
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫